1. bangladeshkhobor24bk@gmail.com : bangladesh khobor : বাংলাদেশ খবর
  2. charoletteseeley80@awer.blastzane.com : charolette78j :
  3. ryancrocker320@lajoska.pe.hu : eulalia51m :
September 26, 2022, 11:11 pm
ব্রেকিং নিউজ
রহনপুরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে অর্থদন্ড ও সিলগালা, রেলের ভ্রাম্যমান আদালত আবারো গুঞ্জনে ঐশ্বরিয়া রায় এক যুগ পার করলেন সোনাক্ষী সিনহা ‘বড় ভাইদের’ জানিয়ে ক্যাম্পাসে ফিরলেন ইডেনের সেই নেত্রীরা সময়ের সাথে সাথে দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি, মৃত্যু বেড়ে ৩৯ ২৬ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী বিনা ভোটে জয়ী পঞ্চগড়ে নৌকা ডুবে ২৪ জনের মৃত্যু ইডেন কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ ১১ বসন্ত পূর্ণ করলেন অনন্ত-বর্ষা পুলিশ সরিয়ে দিলে আওয়ামী লীগ কতক্ষণ মাঠে থাকবে সেটি বড় প্রশ্ন: রুমিন ফারহানা কিয়েভে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার চেহারার উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে কী করেন টাবু! বাড়িতে ঢুকে ৭ম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মিয়ানমারে সংঘাত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনকে দুরূহ করে তুলেছে : প্রধানমন্ত্রী  তেঁতুলঝোড়ায় জাবি অ্যালামনাই এসোসিয়েশন সাভার উপজেলার মিলনমেলা অনুষ্ঠিত সাভারে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে রমিজ নামের এক যুবককে হত্যা জাতিসংঘে আজ ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা: কোচিং শিক্ষকসহ ৩ জন আটক যোগ্যতা প্রমাণের জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছি : শানায়া কাপুর বেড়েছে শাক-সবজি ও নিত্যপণ্যের দাম

মোলার প্রেগন্যান্সি কি

বাংলাদেশ খবর ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : Tuesday, January 11, 2022,
  • 7 বার পড়েছেন
Bk

মোলার প্রেগন্যান্সি কি। সাধারনত গর্ভধারণের ৩-৪ মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ গর্ভফুল তৈরি হয় যার মাধ্যমে শিশু বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় অক্রিজেন ও পুষ্টি মায়ের শরীর থেকে গ্রহণ করে। অপ্রয়োজনীয় পদার্থ গর্ভফুলের মাধ্যমে মায়ের শরীরে গিয়ে পরিশোধিত হয়। অনেক ক্ষেত্রে কোনো কারণে এই গর্ভফুল স্বাভাবিকভাবে তৈরি না-হয়ে এর গঠন ত্রুটিপূর্ণ হয়। কিছু কিছু অংশ স্ফীত হয়ে পানিভর্তি ছোট ছোট থলের আকার ধারণ করে যেগুলোর সমষ্টিকে মোল বলা হয়। এগুলো হাইডাটিড সিস্ট (যা একধরনের পরজীবীঘটিত রোগ)-এর মত দেখায়। এজন্যই মোলার প্রেগন্যান্সির আরেক নাম হাইডাটিডিফরম মোল। মোলার প্রেগন্যান্সিতে আপাতদৃষ্টিতে পূর্ণাঙ্গ গর্ভবতী নারীর লক্ষণ থাকা সত্বেও এই গর্ভের ফলে সন্তানের জন্ম হয় না।

এই রোগের প্রকোপ
এ-সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যায় ফিলিপাইনে, যেখানে প্রতি ৮০ জনে ১ জন আক্রান্ত হয়। পাক-ভারত উপমহাদেশ অঞ্চলে প্রতি ৪০০ জনের মধ্যে ১ জন আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। আক্রান্ত মহিলাদের অধিকাংশই দরিদ্র পরিবারের সদস্য।

কারণ
মোলার প্রেগন্যান্সি অনেক কারণে হতে পারে। এর মধ্যে নিম্নোক্ত কারণগুলোই প্রধান:
১. যারা অতি অল্পবয়সে এবং অধিক বয়সে (৩৫ বছরের পর) গর্ভধারণ করে তাদের মধ্যে এ-সমস্যা বেশি লক্ষ করা যায়।
২. অপরিমিত পুষ্টি বা অপুষ্টি, প্রোটিন এবং চর্বিজাতীয় উপাদান এবং ক্যারোটিনের ঘাটতি থাকলেও এ-রোগের আশংকা বেড়ে যায়।
৩. সমীক্ষায় দেখা গেছে: যেসব মহিলার রক্তের গ্রুপ ‘A’ কিংবা ‘AB’ এবং ¯^vgxi রক্তের গ্রুপ ‘O’ তাদের ক্ষেত্রে এ-সমস্যা বেশি ঘটে।
৪. বংশগত কারণেও এটি হতে পারে এবং এর জন্য সম্পূর্ণত পুরুষ সঙ্গীই দায়ী, নারী নয়।
৫. একবার কারো মোলার প্রেগন্যান্সি দেখা দিলে পরবর্তী কালে তা হওয়ার সম্ভাবনা শতকরা ১-৪ ভাগ বেড়ে যায়।
 
উপসর্গ
★ অল্পবয়সী অথবা বেশিবয়সী মহিলাদের ক্ষেত্রে ৮-১২ সপ্তাহ ধরে মাসিক ঋতুস্রাব বন্ধ থাকে। অনেক সময় ২০ সপ্তাহ পর্যন্ত ঋতুস্রাব বন্ধ থাকতে পারে।
★ সাধারণভাবে সবার ক্ষেত্রেই গর্ভকালীন উপসর্গ থাকবে। পরবর্তী পর্যায়ে আক্রান্ত মহিলাদের নিচে উলেস্নখিত সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে:
★ যোনিপথ/মাসিকের রাস্তা দিয়ে রক্ত পড়া,
শতকরা ৯০ ভাগ ক্ষেত্রে এটাই প্রথম উপসর্গ
★ তলপেটে ব্যথা (সামান্য থেকে অনেক বেশি হতে পারে)
★ প্রচুর বমি হয়
★ কোনো কারণ ছাড়াই রোগী খুব অসুস্থ বোধ করবে।
★ শ্বাসকষ্ট হবে, হাত-পা কাঁপবে এবং বুক ধড়ফড় করছে এমনটি বলবে।
★ মোলার টিস্যুগুলো ফুসফুসে ছড়ালে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়।
★ এধরনের রোগীদের থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতা বেড়ে যায়। ফলে, শারীরিক অস্থিরতাও বেড়ে যায়।
★ যোনিপথ দিয়ে আঙুরের থোকার মত কিছু জিনিষ রক্তের সাথে বেরিয়ে আসতে পারে এবং এমনটি দেখা গেলে নিশ্চিত করে বলা যায়: এটি মোলার প্রেগন্যান্সি অনেক সময় থোকার সাথে মৃত বাচ্চার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অংশবিশেষ থাকে (যাকে আংশিক মোল বলা হয়); কিন্তু শতকরা ৯৯ ভাগ ক্ষেত্রে তা দেখা যায় না; পুরো মাংসপি-টাই আঙুরের থোকার মত জরায়ুর মধ্যে বড় হতে থাকে।

পরীক্ষা নিরীক্ষাঃ
১। রোগীকে পরীক্ষা করলে দেখা যাবে তার রক্তশূন্যতা রয়েছে এবং
২। এসব রোগীর শতকরা ৫০ ভাগের ক্ষেত্রেই রক্তচাপ বেশি হতে দেখা যায় এবং পায়ে পানি জমে।
৩। পেট পরীক্ষা করলে জরায়ূর আকার মাসিক বন্ধ হওয়ার সময়ের চেয়ে বড় মনে হবে এবং স্পর্শ করলে ময়দার মত থলথলে অনুভূত হবে। ৪। হাত দিলে বাচ্চার কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কিংবা বাচ্চার হৃৎপিন্ডের শব্দ অনুভূত হবে না। যারা আগে একবার মা হয়েছেন তারা বলেন: আমার বাচ্চা তো নড়াচড়া করার কথা, কিন্তু তেমন কিছুই টের পাচ্ছি না।
৫। গর্ভকালীন সময়ে সাধারণত রক্ত এবং প্রস্রাবের যেসব পরীক্ষা করা হয় তার সবই করতে হয়। বিশেষভাবে প্রস্রাব এবং একটি হরমোন টেস্ট  করতে বলা হয় যার নাম human chorionic gonadotrophin (HCG)| স্বাভাবিক সব গর্ভধারণের সময়েও শরীরে এই হরমোন বৃদ্ধি পায়, কিন্তু মোলার প্রেগন্যান্সিতে এটি প্রস্রাবে/রক্তে মাত্রাতিরিক্ত হারে পাওয়া যায়। এতে নিশ্চিতভাবে এই রোগটি নির্ণয় করা যায়।
৬। জরায়ূর ভেতরের আল্ট্রাসোনোগ্রাফি তুষারপাতের মত ঝাপসা দেখা যাবে এবং দু’দিকের wW¤^vkq শতকরা ৫০ ভাগ ক্ষেত্রে ফোলা বা বড় পাওয়া বুকের এক্স-রে করতে বলা হয়।
৭। যেহেতু মোলার টিস্যু ফুসফুসেও ছড়িয়ে যায়, এক্র-রে করলে এর মাধ্যমে রোগটির ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়।
তাৎক্ষণিক সমস্যা
★যোনিপথে প্রচুর রক্তপাত হয় এবং এর ফলে রোগী জ্ঞান হারাতে পারে
★সেপসিসজনিত প্রদাহ হতে পারে
★জরায়ু ফুটো হয়ে যেতে পারে
★শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে
★রক্তজমাটজনিত নানা অসুবিধা দেখা দিতে পারে
দেরিতে দেখা-দেওয়া সমস্যা
১। স্থায়ী হাইডাটিডিফরম মোল হিসেবে কিছু মোলার টিস্যু থেকে যায়। দুই/তিন মাস পরপর রক্তপাত হয়, ওয়াশ করলেও সমস্যা সম্পূর্ণভাবে সেরে যায় না।
২।কোরিওকারসিনোমা নামক এক ধরনের মারাত্মক ক্যান্সার দেখা দিতে পারে। এক কথায় একে গর্ভফুলের ক্যান্সার বলা হয়।


 
চিকিৎসা
মোলার প্রেগন্যান্সিতে চিকিৎসার মূলনীতি হচ্ছে:
১। যে পরিমাণ রক্তক্ষরণ হয়েছে তা পূরণ করা এবং প্রদাহ (infection) প্রতিরোধ করা
২। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব জরায়ুর ভেতর থেকে মোল অর্থাৎ আঙুরসদৃশ থোকাগুলো বের করে আনা। সাকশান ইভাকুয়েশন (suction evacuation) বা সাকশান কিউরেটেজ (suction curettage) করে এগুলো বের করা হয়। সাধারণত লোকজন একেই ওয়াশ-করা বলে
৩। নিয়মিত ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে থাকা, যাতে পরবর্তী কালে এই সমস্যা স্থায়ীরূপ ধারণ করে ক্যান্সার সৃষ্টি করতে না-পারে।
৪। কোনো কারণে রক্তক্ষরণ বন্ধ না-হলে বা ওয়াশ-করা সম্ভব না-হলে জরায়ু ফুটো করে মোল বের করতে হয়। একে হিস্টেরোটোমি বলা হয়।
৫। যাদের বয়স ৩৫ বছরের বেশি কিংবা অল্পবয়সে সন্তানের জন্মদানসহ পরিবার গঠন সম্পূর্ণ হয়ে গেছে তাদের ক্ষেত্রে জরায়ু কেটে ফেলাই শ্রেয়। এই অস্ত্রোপচারকে হিস্টেরেকটোমি বলা হয়।
আরেকটি খুব গুরম্নত্বপূর্ণ তথ্য হলো:
মহিলার রক্তের গ্রুপ যদি নেগেটিভ হয় তাহলে জরায়ু ওয়াশ করার পর একটি এন্টি-ডি ইনজেকশন দিতে হবে।

মনে রাখা দরকারঃ
১। নিয়মমত চিকিৎসা করালে আবারও সেই মহিলা সুস্থ বাচ্চার জন্ম দিতে পারবে এবং গর্ভফুলের ক্যান্সারেরও পরিপূর্ণ চিকিৎসা রয়েছে যার ফলে রোগী সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যায়।
২। স্বাভাবিক বাচ্চা হওয়ার পরও যদি গর্ভফুলে এধরনের সমস্যা দেখা দেয় তাহলে অবশ্যই সেটা ক্যান্সার হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে।
৩। জরায়ু ওয়াশ করার পর প্রতিসপ্তাহে প্রস্রাবের HCG টেস্ট-করা এ-রোগের চিকিৎসার প্রধান দিক। টেস্ট একবার নেগেটিভ হলে এক মাস পরপর ৬ মাস পর্যন্ত এই পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া হয়।
৪। যাদের ক্ষেত্রে নিয়মিত হাসপাতালে আসা অসম্ভব -তাদেরকে প্রতিষেধক হিসেবে মেথোট্রাক্সেট টেবলেট বা ইনজেকশন দিয়ে দেওয়া হয়।
৫। চিকিৎসার শেষে এক বছরের মধ্যে গর্ভধারণ থেকে বিরত থাকতে হবে। এর পরে আবারও বাচ্চা নেওয়া যাবে। এই এক বছর জন্ম নিয়ন্ত্রণের হরমোন পদ্ধতি (বড়ি /ইনজেকশন/ইমপস্নান্ট) ব্যবহার করা যাবে না।
৬। মোলার প্রেগন্যান্সি কোনো পাপের ফসল নয়। অল্পবয়সে বিয়ে-হওয়া, পুষ্টিহীনতা এবং অনেক সময় বংশগত কারণেও এটি হতে পারে।
৭। সময়মত এবং নিয়মমত চিকিৎসা নিলে ক্যান্সারের মারাত্মক ঝুঁকি থেকে রক্ষা পাওয়া যায় এবং সুস্থভাবে বেঁচে থেকে সমাজে বসবাস করা যায়।

আমাদের ওয়েবসাইট >বাংলাদেশ খবর
আমাদের ইউটিউব > 24News tv
আমাদের ফেসবুক পেজ > বাংলাদেশ খবর
আমাদের টুইটার > @b_khobor

Google Ads

এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

ক্যালেন্ডার

September 2022
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930  
শ্যামপুর-মডেল-টাউন।
https://www.facebook.com/bergerbd/

© All rights reserved ©2021 -bangladeshkhobor.net.All rights reserved by the publisher.

       
Desing BY Mutasim Billa