1. bangladeshkhobor24bk@gmail.com : bangladesh khobor : বাংলাদেশ খবর
  2. rmwa035i84ky@dcctb.com : user_vtmjbp :
October 7, 2022, 12:00 pm
ব্রেকিং নিউজ
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার যাচ্ছেন টুঙ্গিপাড়ায় গাজীপুর মহানগর আ.লীগের যুগ্ম সম্পাদককে অব্যাহতি সাভারে অটোরিকশা গ্যারেজে ভয়াবহ আগুন বিরামপুরে জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস পালিত গোমস্তাপুরে জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস পালিত সাভার ও আশুলিয়ায় দুই জন ধর্ষণের শিকার হয়েছেন নেশার টাকা না পেয়ে আশুলিয়ায় বাবাকে নির্যাতন করেছেন পাষণ্ড ছেলে যশোরের মনিরামপুরে অজ্ঞাত নারীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার আশুলিয়ায় প্রেমিকের বাসায় প্রেমিকার আত্মহত্যা নালিতাবাড়ীতে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ এবার ফিফা বিশ্বকাপ মাতাবেন নোরা ফাতেহি গুঞ্জনটিকে গুজব বলে উড়িয়ে দিলেন তানজিন তিশা গোমস্তাপুরে ডাকাত দলের হামলায় এক ব্যবসায়ী নিহত বিরামপুরে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালিত গোমস্তাপুরে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালন মাদক মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ধর্মপাশায় এক মণ গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বাংলাদেশের গণতন্ত্র নিয়ে আপনাদের এত মাথাব্যথা কেন গোমস্তাপুরে বসতবাড়ি ভাংচুর ও প্রাণনাশের হুমকি ঘটনায় থানায় গৃহবধূর অভিযোগ তুরাগের বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন- সাংসদ হাবিব

যেমন ছিল মহানবী সা. এর বিছানা

বাংলাদেশ খবর ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : Sunday, January 30, 2022,
  • 7 বার পড়েছেন
হাদীসের বর্ণনা অনুসারে রাসূল সা. এর ঘরের একটি রেপ্লিকা

মানবজীবনে শান্তি ও স্থিতির জন্য ঘরবাড়ি অপরিহার্য। পবিত্র কোরআনেও ঘরবাড়ির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহ তোমাদের ঘরকে করেন তোমাদের জন্য আবাসস্থল এবং তিনি তোমাদের জন্য পশুর চামড়ার তাঁবুর ব্যবস্থা করেন—তোমরা তাকে সহজ মনে কর ভ্রমণকালে ও অবস্থানকালে।’ (সুরা নাহল, আয়াত : ৮০)। মসজিদে নববীর ভিতরে মহানবীর ﷺ ছোট একটা কামরা ছিল। কখনো-সখনো তিনি ঐ কামরায় বিশ্রাম নিতেন। এই ঘরে আসবাব-পত্র বলতে কিছুই ছিল না। শুধু ছিল একটা পানির কলস আর একটা বিছানা। একে বিছানাই বা কিভাবে বলা যায়? এটা ছিল খেজুরের ডালের কিছু চাটাই মাত্র।

একদিন উমার ইবনুল খাত্তাব (রা) মহানবীর ﷺ সেই কামরায় প্রবেশ করলেন। মহানবী ﷺ শুয়ে ছিলেন। উমার (রা) আসায় উঠে বসলেন, সালাম বিনিময় করলেন। উমার (রা) দেখলেন খেজুরের চাটাই এ শোয়ার কারণে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর পিঠে লাল-লাল দাগ হয়ে গেছে। রাসূলের ﷺ পিঠের এই অবস্থা দেখে ডুকরে কেঁদে উঠলেন উমার (রা) – “ও রাসূলুল্লাহ! দুনিয়ার বাদশা কাইসার ও কিসরা বিলাসবহুল আয়েশী জীবন যাপন করছে, আর আপনি আল্লাহর রাসূল দোজাহানের সরদার হয়েও সামান্য খেজুরের ছালের বিছানায় শুয়ে আছেন!”

এ সময় মুসলিমদের অর্থনৈতিক অবস্থা কি খারাপ ছিল? না, মোটেও না। এই ঘটনাটি ৭ম / ৮ম হিজরীর দিকে হয়েছে – যখন কিনা মুসলিমরা ইতোমধ্যেই আরব ভূখন্ডের একটা বিশাল অংশে নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছে – যার নেতৃত্বে আছেন রাসূলুল্লাহ ﷺ । এ কারণেই, উমার (রা) রাসূলুল্লাহ ﷺ কে তৎকালীন বিশ্বের সবচেয়ে পরাক্রমশালী দুই বাদশা – রোমান বাদশা হিরাক্লিয়াস (কাইসার) ও পারস্যের বাদশা কিসরা এর বিলাসী জীবনের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলতে চাইছিলেন – ঐসব বাদশাহরা যেখানে এত আরাম-আয়েশে প্রাসাদ নিয়ে থাকতে পারে – সেখানে আপনি একটু আরামদায়ক বিছানায় ঘুমালে ক্ষতি কি?

ভেবে দেখুন – আপনি যদি খুব কষ্টদায়ক কোন বিছানায় শুয়ে থাকেন, আর আপনার বন্ধু তখন আপনার প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলে – “আহা এই বিছানায় তোমার বড় কষ্ট হচ্ছে বন্ধু!” – তাহলে আপনি এর জবাবে কি বলবেন? আমরা হয়তো বলব – “হ্যাঁ বন্ধু, ঠিকই বলেছ। আসলেই অনেক কষ্ট হচ্ছে, এটা বদলে ফেলা দরকার”।

রাসূলুল্লাহ ﷺ কি এরকম কিছু বলেছিলেন? তিনি ﷺ কি উমার (রা) এর এই সমবেদনা প্রকাশে খুশী হয়েছিলেন? মোটেই না! কারণ, তিনি আমাদের মত সাধারণ মানুষ না, তিনি ছিলেন অসাধারণ, তিনি ﷺ আল্লাহর রাসূল। তিনি লক্ষ্য রাখতেন – পার্থিব সুখ-স্বাচ্ছন্দ যাতে মাত্রাতিরিক্ত হয়ে না যায়, অতিরিক্ত আরামদায়ক বিছানা যেন তাহাজ্জুদের নামাজে উঠার বাধা না হয়ে দাঁড়ায়। উমার (রা) এর কথায় রাসূলুল্লাহ ﷺ বরং কিছুটা বিরক্তই হলেন। তিনি ﷺ বললেন – “উমার। তুমি কি এতে খুশী নও তাদের জন্য দুনিয়া আর আমাদের জন্য আখিরাত?”

এ তো গেল মসজিদের কামরার বিছানা। মহানবীর ﷺ নিজের বাসার বিছানা কেমন ছিল? তাঁর স্ত্রী আয়িশা (রা) বলেন – “আল্লাহর রাসূল যে বিছানায় ঘুমাতেন তা চামড়ার ছিল, এর ভেতরে খেজুর গাছের পাতা ভরা হত”।

লক্ষ্যনীয় যে, চামড়া কিন্তু ম্যাট্রেস তৈরির উপাদান না, চামড়ার বিছানা আরামদায়কও না। আরবরা চামড়া ব্যবহার করত উট বা ঘোড়ার জিন তৈরীতে। চামড়ার সেই শক্ত বিছানাকে কিছুটা সহনীয় করার জন্য সাহাবীরা এর ভেতর খেজুর পাতা ভরে দিতেন।

আরেক স্ত্রী হাফসার (রা) ঘরে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর বিছানা বলতে ছিল পাতলা এক চট। রাসূলুল্লাহ ﷺ এর এই কষ্টদায়ক বিছানা লক্ষ্য করে হাফসা (রা) একবার এক কাজ করে বসলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ এর ঘুমানোর চট – যেটাকে সচরাচর দুই ভাঁজ করা হতো, সেটাকে এক রাতে চার ভাঁজ করে দিলেন। হাফসা (রা) ভেবেছিলেন এতে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর ঘুমের কিছুটা আরাম হবে। অপেক্ষাকৃত আরামদায়ক বিছানার কারণে সেই রাতে রাসূলুল্লাহ ﷺ একটু বেশী ঘুমালেন। সকালে তিনি ﷺ যখন ঘুম থেকে উঠলেন তখন জিজ্ঞেস করলেন – বিছানার বিষয়টা কি? হাফসা (রা) তখন তাঁকে ﷺ অতিরিক্ত ভাঁজের ব্যাপারটা বললেন। এতে তিনি ﷺ মোটেও খুশী হলেন না। বরং নির্দেশ দিলেন – “একে আগের মতই করে দিও, এটা গতকাল আমাকে তাহাজ্জুদ পড়া থেকে বিরত রেখেছে।”

সুতরাং, আমরা বুঝতে পারি যে – রাসূলুল্লাহ (সা) এর আরামদায়ক বিছানায় না ঘুমানোর অন্যতম কারণ ছিল, বিছানার অতিরিক্ত উষ্ণতা তাঁকে (সা) যেন তাহাজ্জুদ সালাত পড়া থেকে বিরত রাখতে না পারে।

একবার কয়েকজন সাহাবী মিলে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর কাছে এসে তাঁর ﷺ জন্য আরামদায়ক বিছানার ব্যবস্থা করে দিবেন বলে আর্জি পেশ করলেন। জবাবে তিনি ﷺ বললেন – “দুনিয়ার আরাম আয়েশের কি প্রয়োজন? আমি তো একজন পথিকের মত, যে বিরামহীনভাবে চলতে থাকে। চলতে চলতে ক্লান্ত হয়ে একটু আরামের জন্য গাছের ছায়ায় বসে। কিছুক্ষণ আরাম করে আবার সে চলতে থাকে।” (সংগ্রহীত)


আমাদের ওয়েবসাইট >বাংলাদেশ খবর
আমাদের ইউটিউব > 24News tv
আমাদের ফেসবুক পেজ > বাংলাদেশ খবর
আমাদের টুইটার > @b_khobor

এই পোস্ট টি শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

ক্যালেন্ডার

October 2022
S M T W T F S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  

নামাজের সময়সূচী

    ঢাকা, বাংলাদেশ
    শুক্রবার, ৭ অক্টোবর, ২০২২
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ৫:৩৭
    সূর্যোদয়ভোর ৬:৫২
    যোহরদুপুর ১২:৪৬
    আছরবিকাল ৪:০৯
    মাগরিবসন্ধ্যা ৬:৪০
    এশা রাত ৭:৫৫
শ্যামপুর-মডেল-টাউন।
https://www.facebook.com/bergerbd/

© All rights reserved ©2021 -bangladeshkhobor.net.All rights reserved by the publisher.

       
Desing BY Mutasim Billa